।। বাজে ভোগসুখে মানুষ কেন মত্ত হয় ।।
-------------------------★-------------------------
একজন প্রশ্ন করলেন ---আদর্শপ্রাণ জীবনে এত আনন্দ, তবু কেন মানুষ তা' ছেড়ে বাজে ভোগসুখে মত্ত হয় ?
শ্রী শ্রী ঠাকুর ----------ইষ্ট না থাকলে মানুষের ইন্দ্রিয়গুলিও week (দুর্ব্বল) ও sub -normal (স্বাভাবিক অপেক্ষা ন্যূন) হ'য়ে পড়ে , তাই খাওয়া -দাওয়াই হো'ক বা sexual life (যৌনজীবন)-ই হো'ক ----কোনটাই properly (যথাযথভাবে) enjoy (উপভোগ) করতে পারে না । তাই সেদিক্ দিয়েও বঞ্চিত হয় । যার self -control (আত্মসংযম) নেই , সে ভোগের বস্তু পেয়ে নিজেকে তার মধ্যে হারিয়ে ফেলে । যার নিজত্ব বজায় নেই , যে নিজেই ' নেই ' হ'য়ে গেছে , সে আর ভোগ করবে কি ? ...... দেখেন , সুখের ধারণা আমাদের কত বিকৃত হ'য়ে গেছে । মেয়ের বিয়ে যদি দিতে চাই ----বরের বংশ ও ব্যক্তিত্বের মেকদারের কথা বড় ক'রে না ভেবে খুঁজি , কোথায় গেলে মেয়ে আমার রাজার হালে থাকবে , বামুন -চাকর , দাস -দাসী তার ফরমাজ খাটবে , মাটিতে পা-টুকু ফেলতে হবে না , খাট-পালঙ্কে ব'সে হুকুম চালাবে । দুঃখ -কষ্ট , অভাব -অভিযোগের লেশমাত্র থাকবে না । কিন্তু একথা ভাবি না ---দুঃখ -দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করতে হয় করুক , ভিক্ষা ক'রব স্বামীকে খাওয়াতে হয় তা' খাওয়াক , শ্বশুর -শ্বাশুড়ী , আত্মীয় -পরিজনের সেবায় একমূহূ্র্ত্ত বিশ্রাম না পায় , তা' না পাক , তার উপর দিয়ে অগ্নি- পরীক্ষা চলে , তা' চলুক , কিন্তু যেন অটুট ইষ্টপ্রাণ সদ্বংশজাত উপযুক্ত ছেলের হাতে পড়ে ।..... তপস্যার ভিতর দিয়ে ছাড়া মানুষ বড়ও হয় না , সুখীও হয় না । অনেকদিন পরাধীন থেকে থেকে এই ধারণাটাই আমাদের উবে গেছে । আমরা যে সুখ চাই , সে মানুষের সুখ নয় , পশুর সুখ । বাধাকে নিরোধ ক'রে জয়ের নিশানা গাড়ায় যে সুখ , সে সুখই মানুষের কাম্য। ...... Inferior beloved (নিকৃষ্ট প্রিয়) নিয়ে যারা চলে , তাদের libido (সুরত) dull (ভোঁতা) ও dusky (মলিন) হ'য়ে পড়ে । এমন কোন uphill enthusiastic thrill (ঊর্দ্ধগামী উৎসাহদীপ্ত স্পন্দন) থাকে না , যাকে বলা যায় elixer of life (জীবনের অমৃত) । জীবনের দুই দিক্ যারা দেখেছে অর্থাৎ ইষ্টমুখীন ও প্রবৃত্তিমুখীন উভয় জীবনের স্বাদ যারা পেয়েছে, তারাই compare (তুলনা) ক'রে বলতে পারে -----কোন্ টা মানুষের আসল জীবন ।....... ইষ্টহীন জীবন প্রেত -জীবনের সামিল , তফাৎ এই , প্রেতলোকে কারও উন্নতি হয় না , অবনতিও হয় না , কিন্তু ইহলোকে ইষ্টহীন জীবন যারা যাপন করে , তাদের কেবল অবনতিই হয় , উন্নতি আর হয় না । উন্নতির রকম -সকম যা' দেখা যায় , তা'ও অবনতির কারণ হ'য়ে দাঁড়ায় । চুষিকাঠি নিয়ে ভুলে থাকে , মায়ের বুকের দুধের কথা আর মনে পড়ে না । ফলে আসল সুখ , আসল পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয় ।।
-------------------------★-------------------------
একজন প্রশ্ন করলেন ---আদর্শপ্রাণ জীবনে এত আনন্দ, তবু কেন মানুষ তা' ছেড়ে বাজে ভোগসুখে মত্ত হয় ?
শ্রী শ্রী ঠাকুর ----------ইষ্ট না থাকলে মানুষের ইন্দ্রিয়গুলিও week (দুর্ব্বল) ও sub -normal (স্বাভাবিক অপেক্ষা ন্যূন) হ'য়ে পড়ে , তাই খাওয়া -দাওয়াই হো'ক বা sexual life (যৌনজীবন)-ই হো'ক ----কোনটাই properly (যথাযথভাবে) enjoy (উপভোগ) করতে পারে না । তাই সেদিক্ দিয়েও বঞ্চিত হয় । যার self -control (আত্মসংযম) নেই , সে ভোগের বস্তু পেয়ে নিজেকে তার মধ্যে হারিয়ে ফেলে । যার নিজত্ব বজায় নেই , যে নিজেই ' নেই ' হ'য়ে গেছে , সে আর ভোগ করবে কি ? ...... দেখেন , সুখের ধারণা আমাদের কত বিকৃত হ'য়ে গেছে । মেয়ের বিয়ে যদি দিতে চাই ----বরের বংশ ও ব্যক্তিত্বের মেকদারের কথা বড় ক'রে না ভেবে খুঁজি , কোথায় গেলে মেয়ে আমার রাজার হালে থাকবে , বামুন -চাকর , দাস -দাসী তার ফরমাজ খাটবে , মাটিতে পা-টুকু ফেলতে হবে না , খাট-পালঙ্কে ব'সে হুকুম চালাবে । দুঃখ -কষ্ট , অভাব -অভিযোগের লেশমাত্র থাকবে না । কিন্তু একথা ভাবি না ---দুঃখ -দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করতে হয় করুক , ভিক্ষা ক'রব স্বামীকে খাওয়াতে হয় তা' খাওয়াক , শ্বশুর -শ্বাশুড়ী , আত্মীয় -পরিজনের সেবায় একমূহূ্র্ত্ত বিশ্রাম না পায় , তা' না পাক , তার উপর দিয়ে অগ্নি- পরীক্ষা চলে , তা' চলুক , কিন্তু যেন অটুট ইষ্টপ্রাণ সদ্বংশজাত উপযুক্ত ছেলের হাতে পড়ে ।..... তপস্যার ভিতর দিয়ে ছাড়া মানুষ বড়ও হয় না , সুখীও হয় না । অনেকদিন পরাধীন থেকে থেকে এই ধারণাটাই আমাদের উবে গেছে । আমরা যে সুখ চাই , সে মানুষের সুখ নয় , পশুর সুখ । বাধাকে নিরোধ ক'রে জয়ের নিশানা গাড়ায় যে সুখ , সে সুখই মানুষের কাম্য। ...... Inferior beloved (নিকৃষ্ট প্রিয়) নিয়ে যারা চলে , তাদের libido (সুরত) dull (ভোঁতা) ও dusky (মলিন) হ'য়ে পড়ে । এমন কোন uphill enthusiastic thrill (ঊর্দ্ধগামী উৎসাহদীপ্ত স্পন্দন) থাকে না , যাকে বলা যায় elixer of life (জীবনের অমৃত) । জীবনের দুই দিক্ যারা দেখেছে অর্থাৎ ইষ্টমুখীন ও প্রবৃত্তিমুখীন উভয় জীবনের স্বাদ যারা পেয়েছে, তারাই compare (তুলনা) ক'রে বলতে পারে -----কোন্ টা মানুষের আসল জীবন ।....... ইষ্টহীন জীবন প্রেত -জীবনের সামিল , তফাৎ এই , প্রেতলোকে কারও উন্নতি হয় না , অবনতিও হয় না , কিন্তু ইহলোকে ইষ্টহীন জীবন যারা যাপন করে , তাদের কেবল অবনতিই হয় , উন্নতি আর হয় না । উন্নতির রকম -সকম যা' দেখা যায় , তা'ও অবনতির কারণ হ'য়ে দাঁড়ায় । চুষিকাঠি নিয়ে ভুলে থাকে , মায়ের বুকের দুধের কথা আর মনে পড়ে না । ফলে আসল সুখ , আসল পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয় ।।

No comments:
Post a Comment